Social Icons

Showing posts with label বিবিধ. Show all posts
Showing posts with label বিবিধ. Show all posts

Wednesday, 19 December 2012

গুগল ম্যাপে আপনার ঠিকানা যোগ [ফটোকপি]

বিশ্বের উন্নত দেশ এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের গুগল ম্যাপ দেখলেও মনের ভেতর হাহাকার খেলে যায়।
কতসুন্দর ওদের ম্যাপ! সবাই মিলে কাজ করে কত নিখুঁত ডিটেইলস দিয়েছে ম্যাপে। এক্ষেত্রে আমরা পিছিয়ে আছি অনেক। প্রধান সমস্যা সম্ভবত বাংলাদেশের ইন্টারনেট স্পিড। ভাষার মাসে চলুন দেশের জন্য কিছু করা যাক।
 
গুগল ম্যাপ কেন এডিট করব?
দেশকে ডিজিটাল বানাতে ডিজিটাল মানচিত্র প্রয়োজন। ধরুন আপনি ভ্রমণে বেড়িয়েছেন, সেসময় আপনার মুঠোফোনটি যদি বলে দিতে থাকে রাস্তার পাশে কোথায় শপিং মল রয়েছে, কোথায় পাবেন এটিএম বুথ তাহলে ভ্রমণটা কত সহজ আর আনন্দদায়ক হবে ভাবতে পারেন? এজন্য প্রথমে দরকার নিখুত একটি ডিজিটাল ম্যাপ। আর তাই আপনি অবদান রাখবেন বাংলাদেশের ডিজিটাল ম্যাপিং এ।
 
আমি নতুন, কিভাবে ম্যাপিং শুরু করব?
খুব সোজা! আপনার জন্য রয়েছে বাংলা টিউটোরিয়াল!  এই সাইট থেকে বাংলায় টিউটোরিয়াল পড়ে ১০ মিনিটেই হয়ে যাবেন দক্ষ ম্যাপার! এরপর আপনার বাসার আশে-পাশের রাস্তার ম্যাপিং করে তাক লাগিয়ে দিন সবাইকে!
 
আমার এডিট প্রকাশিত না হয়ে পেন্ডিং হচ্ছে কেন?
প্রথম প্রথম কয়েকদিন ম্যাপারদের নজরে রাখে গুগল। তাই  এডিট প্রকাশ পেতে সময় লাগে। গোটা কয়েক এডিট প্রকাশ পেলেই আর কারো ধার ধারতে হবেনা, অটোমেটিক পাবলিশড হতে থাকবে আপনার এডিট।
আমার কিছু পেন্ডিং এডিট আছে কিভাবে অ্যাপ্রুভ করে নেব?
সুখবর হল গুগল বাংলাদেশ থেকে কয়েকজনকে মডারেটর বানিয়েছে যাদের বলা হয় রিজিওনাল এক্সপার্ট রিভিউয়ার (RER). এই RER গণ অত্যন্ত আন্তরিক এবং হেল্পফুল। তারা ফোরাম খুলে রেখেছেন সবাইকে সহায়তা এবং এডিট অ্যাপ্রুভ করে দেবার জন্য। বাংলাদেশী ম্যাপারসদের ফোরামে যোগ দিতে ক্লিক করুন এখানে
 
 
নিচের মত পেজ আসবে। ডানদিক থেকে Join This Group এ কিক করবেন।
 
 
 
 
আমি কি আমার গ্রামের ঠিকানা যোগ করে দিতে পারব ?
 
উত্তর হ্যা, অবশ্যই পারবেন আর এজন্যে আপনাকে গুগল ম্যাপ এডিট করা শিখতে হবে   যা খুবই সহজ কাজ....
চাইলে এই পোষ্টটি পরে ফেলতে পারেন
 
আর না পারলে  আপনার ঠিকানা যোগ করে দিতে আমরা প্রস্তুত, এর জন্যে আমাদের প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে
এবং এই ফরমটি পুরন করতে হবে
 
*প্রতিটি ঠিকানার জন্যে আলাদা ভাবে তথ্য সাবমিট করবেন
*দয়া করে শুদ্ধ বানান এ তথ্য লেখার চেষ্টা করবেন
*আপনার ঠিকানা সম্পর্কিত একটি ছবির লিঙ্ক দেওয়ার চেষ্টা করবেন
*ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ঠিকানা হলে  ফোন নম্বার ইমেইল ঠিকানা, ওয়েব সাইট দিতে পারেন
আপনিও অংশ গ্রহন করতে পারেন সেচ্ছাসেবী হিসেবে!
আপনাকে আমন্ত্রন রইল এই কার্যক্রমে অংশ গ্রহন করে দেশের জন্যে সামান্য অবদান রাখার, যেহেতু সারা বাংলাদেশ আমাদের কার্যক্রম এর আওতায় আছে তাই আমাদের একার পক্ষে সকল ঠিকানা গুগল ম্যাপে যোগ করা একটু কষ্টকর হয়ে যাবে, তাই আপনার এলাকা থেকে যে ঠিকানা গুলোর অনুরোধ আসবে সেই ঠিকানা গুলোর দায়িত্ব আপনাদের মাঝে ভাগ করে দেওয়া হবে
যোগাযোগ করার জন্যে মেইল পাঠান এই ঠিকানায়ঃ  answersbd.com@gmail.com
অথবা ফেইসবুকে এই ইভেন্টে যোগদান করে প্রচারনা ও উতসাহ এবং পরামর্শ কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন
 
**সেচ্ছাসেবী হিসেবে অংশ গ্রহন করতে চাইলে অবশ্যই পুর্বে গুগল ম্যাপ এডিট করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
এই কার্যক্রম কয়েক মাস ধরে চলবে এজন্যে যারা গুগল ম্যাপ এডিট করতে জানেন না তারা সময় করে শিখে নিতে পারেন  এবং আমদের কার্যক্রমে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে ভবিষ্যতে অংশ গ্রহন করতে পারেন।

Monday, 17 December 2012

আমার নিজের কিছু কথাঃ ২য় অংশ

আমি স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগে থাকা কালে দিবা শাখার কিছু শিক্ষকের ব্যাপারে আলোচনা করতে চাই। যখন কলেজে উঠি তখন রসায়ন বই ঘেঁটে বুঝলাম স্কুলে রসায়নের 'র' ও নাই। এর পর রসায়নের 'র' বুঝার পর মনে পড়ল স্কুলে থাকতে রসায়নের 'র' এর ফোঁটাও শিখি নাই এবং 'র' এর ফোঁটার আকারও বুঝি নাই। স্কুলে থাকতে নবম এবং দশম শ্রেণীতে আমি শুধু শিখেছি যোজনী এবং অম্ল ও ক্ষার আর ক্ষারক। তাও যোজনীর ভুল সংজ্ঞাটাই শিখানো হইছে। কলেজে উঠে জানতে পারলাম যোজনীর কোন ধনাত্মক কিংবা ঋণাত্মক মান নাই যা আমাদের স্কুলে তথা কথিত শিক্ষক শিখিয়েছেন। আমি জানি না প্রভাতী শাখার ছাত্রীদের এ ব্যাপারে অভিজ্ঞতা কি? কারণ প্রভাতী এবং দিবা শাখার শিক্ষক ভিন্ন ছিল। যাই হোক , শুধু একটাই পাওয়া আমি একজন বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলাম। এরপর ইংরেজির কথায় আসি। আমি স্বীকার করি আমার স্কুলে ইংরেজির অনেক ভালো মানের শিক্ষক ছিল। কিন্তু এখন বুঝতে পারি শুধূ পড়াতে পারলে হয় না , পড়ানোর নিয়ম কানুন জানতে হয়। কি ভাবে পড়ালে একজন ছাত্র তার জ্ঞান কে কাজে লাগাতে পারবে সেটা মনে হয় অনেকে জানেন না। আমি আমাদের প্রধান শিক্ষক হারুন সারের দুইটা ক্লাস পাইছিলাম। ওনার নামে অনেকের অনেক অভিযোগ ছিল এটা যেমন ঠিক, তেমনি আমি আজ জোর গলায় বলতে পারি উনি পড়ানোর নিয়মটা ভালো করেই জানতেন। কারণ ওনার ওই দুইটা ক্লাসে যা পরেছি তা আমার এখনো মনে আছে। গনিতের ব্যাপারে আমার কোন অভিযোগ নাই, কারণ গনিত কে আমরা অনেক গুরুত্ব দেই বিধায় আমি নিজেই সুদক্ষ সারদের থেকে আদায় করে নিতে সক্ষম হয়েছি। আমি শিখার ব্যাপারে আমার নিজের কোন দোষ নাই এটা কখনই বলব না, বলছিও না। তবে শিখার জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করা যাদের কাজ তাদের ব্যাপারে এখন কিছু বললেও তাদের তেমন কিছুই যায় আসে না , আসবেও না। আমারা এমন অনেক ক্লাস করেছি যেখানে টিচার এসে বসে বসে পান চিবুইছেন আর আমরা গল্প করে ঘণ্টা কাটাইছি। ওই সময়টাতে ওই ক্লাসগুল ছিল সেরা ক্লাস। আর এখন বুঝি টিচাররা আমাদের সরলতার সুযোগ নিয়ে নিজেদের এখনো টিচার দাবী করে সমাজে একটা ভালো অবস্থানে আছেন। আমি এখনো বলি আমার স্কুলে এখনো অনেক টিচার আছেন যাদেরকে স্কুল করতিপক্ষ শুধু শুধুই লালন পালন করছেন। সবশেষে আমি আমার শ্রদ্ধেয় শিক্ষকমণ্ডলী দের নিকট ক্ষমা চাচ্ছি এই ভেবে যে তারা আমাকে আচার ব্যাবহারটা ভালো মত শিখিয়েছেন।।

Saturday, 15 December 2012

আমার নিজের কিছু কথাঃ ১ম অংশ

আমি স্কুলে থাকতে ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত থাকতাম। কখনই স্কুল ফাকি দেয়ার কথা চিন্তা করতাম না। শুধু আমি না , আর সব বন্ধুরাও একি ভাবে নিয়মিত ক্লাস করতো। অথচ অপ্রিয় হলেও সত্যি যে আমাদের ক্লাসে সঠিক শিক্ষা দেবার মত হাতে গোণা কয়েকজন ছাড়া তেমন কোন শিক্ষক/শিক্ষিকা ছিলেন না, যা অবশ্য পরে অনুধাবন করি। যাই হোক এ থেকে বুঝলাম পড়া লেখার উদ্দেশে স্কুলে যাওয়া হত না। তবে কি সার/ম্যাডাম দের বেত্রাঘাতের ভয়ে? হতেও পারে, অস্বাভাবিক কিছুই নয়। এর পর কলেজ এ যখন উঠি তখন ফার্স্ট ইয়ারে যা একটু উপস্থিতি ছিল, কিন্তু সেকেন্ড ইয়ারে তো তার অর্ধেক ও ছিল না আমার উপস্থিতি। কিন্তু সেখানে তো অনেক ভালো ভালো শিক্ষক রাই ক্লাস নেন এবং অনেক কিছুই জানার ছিল তাদের কাছে!
এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন উঠলাম, তখন দেখি আরেক চিত্র। এখানে তো দেখি আমার উপস্থিতির হার কলেজের চাইতেও আরও কম এবং তা যতই দিন যায় তা শুধুই কমতেই থাকে।
তবে হ্যাঁ। এখন আমি জানি কেন নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত থাকতাম। আজ আমি যখন আমার স্কুল বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই তখন আমি এই উত্তরটা পাই। আমরা যখন স্কুল জীবনের কথা শুরু করি তখন আমাদের যেন সময় আর শেষ হয় না। কোন সারের ক্লাসে কি রকম মজা করছি, কোন সার কে কেমন বিরক্ত করছি, কোন সারের মাইরটা বেশি মজার আছিল, কোন ঘটনাটা এখনও মনে পড়লে হাসতে হাসতে পেতে খিল লেগে যায়, কোন মেয়ের সাথে............ ইত্যাদি ইত্যাদি। আমার এখনও মনে পরে আমরা একি গল্প বার বার করে এখনও মজা পাই। এসব দেখে আমি এটাও বলে দিতে পারি শুধু আমি নই, আমার মত সকলেই এখনও স্কুল জীবনটাকে এখনও মিস করে। আর এ জন্যই আমার এবং আমাদের সবার স্কুলে ১০০% উপস্থিতি ছিল।